বাংলা ছন্দ ৩টি প্রকারে বিভক্ত: অক্ষরবৃত্ত, স্বরবৃত্ত, এবং মাত্রাবৃত্ত।
অক্ষরবৃত্ত: এই ধরনের ছন্দে শব্দের প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বজায় থাকে। উদাহরণ: "মনোমুগ্ধকর"।
স্বরবৃত্ত: এই ছন্দে শব্দের মধ্যে স্বরের ব্যবহার গুরুত্ব পায় এবং এটি সুরের সাথে মিলিয়ে তৈরি হয়। যেমন: "বাংলা ভাষা, হৃদয়ে বাসা"।
মাত্রাবৃত্ত: শব্দের মাত্রা (বিশেষভাবে দীর্ঘ বা স্বল্প) অনুসারে তৈরি হয় এই ছন্দ। এটি সঠিক মাত্রা বজায় রেখে শব্দের তাল বজায় রাখে। উদাহরণ: "বাঁচো, বাঁচো, শান্তির শ্বাস!"
এই তিন ধরনের ছন্দ ভাষার শব্দ ও বাক্য রচনার সৌন্দর্য এবং সঙ্গীতময়তা বৃদ্ধি করে।
Please login or Register to submit your answer