• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • যৌবনের গান [গদ্য]
যৌবনের গান [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

যুবকেরা পাগল, বাবুদের মতো সহজেই তাদের মনে প্রতিবাদী চেতনার সৃষ্টি হয়। কারাগারে ফাঁসিতে কিছুতেই তাদের দর্পিত প্রাণ কাবু হয় না। এদের স্থিরতা, বীরত্ব, গাম্ভীর্য, ধর্মভয়, বিনয় জজ্ঞান বলতে কিছু নেই। ওরা সত্যিই পাগল, বাষ্পীয় ইঞ্জিনে আবন্দ শক্তি বলা যায়।

"অনুচ্ছেদে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।" মন্তব্যটির যৌক্তিক মূল্যায়ন করো।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের দুর্বার রূপ ছাড়াও মাতৃময়ী রূপের কথা বলেছেন, যা উদ্দীপকে সম্পূর্ণরূপে ফুটে ওঠেনি। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্য বা যৌবনের প্রকৃতি, রূপভেদ ও যুবকদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যৌবনের দুটি রূপ-একটি উদ্দামের রূপ, অপরটি মাতৃরূপ। যৌবনের উদ্দামের দিকটি অপ্রতিরোধ্য বিপ্লবী ভূমিকা পালন করে। আর যৌবনের মাতৃরূপ মানবকল্যাণে ব্রতী হয়ে সেবাপরায়ণ ভূমিকা পালন করে।

উদ্দীপকের তরুণেরা উদ্দাম, দুরন্ত। তারা প্রাণের উভাপে পাগল। মৃত্যুকে তারা পদাবনত করে রাখে। ফাঁসি-কারাদণ্ড কিছুই তারা তোয়াক্কা করে না। বাষ্পীয় ইঞ্জিনে আবদ্ধ শক্তির মতো সবকিছু ছিন্নভিন্ন করে নব সৃষ্টির উল্লাসে মাতোয়ারা তারা।

উদ্দীপকে বর্ণিত তারুণ্যের দুর্বার রূপ খুঁজে পাওয়া যায় আলোচ্য প্রবন্ধে বর্ণিত কালাপাহাড়ের অসিতে, কামাল-করিম-মুসোলিনি-লেনিনের শক্তিতে। এসব যৌবনদীপ্ত তরুণরা নতুনকে উন্মোচিত করার নেশায় মাতোয়ারা। অপরদিকে, যৌবনের মাতৃরূপ দেখা যায় যখন তারা দুর্দশাগ্রস্তের, দুর্বলের ও হতাশের পাশে বল হয়ে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস জোগায়। কিন্তু উদ্দীপকে যৌবনের এমন বহুমুখী বর্ণনা নেই যা 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সমগ্রতাকে ধারণ করে। ফলে আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি, উদ্দীপকে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তরের সারবস্তু: আলোচ্য উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধটিকে আংশিক উপস্থাপন করেছে। যৌবনের উদ্দামতা, চঞ্চলতার রূপটি এখানে ফুটে উঠলেও তার মাতৃরূপ বা সেবাপরায়ণ ভূমিকা সম্পর্কে কোনো আলোকপাত অনুচ্ছেদে করা হয়নি। প্রশ্নোল্লিখিত উক্তিটি তাই যথার্থ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()