• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • যৌবনের গান [গদ্য]
যৌবনের গান [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

চারদিকে যুদ্ধের ডামাডোল। কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। বাড়িতে একদিন একটি চিঠি এলো। চিঠিতে লেখা ছিল, 'দেশের বঞ্চিত মানুষের জন্য মুক্তির লড়াই শুরু হয়েছে, এ লড়াইয়ের আরেক নাম মৃত্যুঞ্জয়ী লড়াই। সে লড়াইয়ে যোগ দিতে যাচ্ছি। আমি বিজয় আর মুক্তি নিয়েই ফিরে আসব।'

উদ্দীপকে বর্ণিত যৌবনের প্রকৃতির সঙ্গে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধের অদম্য ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার সাথে উদ্দীপকের যৌবনের প্রকৃতি সাদৃশ্যপূর্ণ।

প্রাবন্ধিক তাঁর 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বলেছেন, মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় রেখে জাতীয় কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আশাহীন, বলহীন জাতিকে তারা আশার বাণী শোনায়। প্রাণচঞ্চল সৃজনশীল সেই শক্তিকে প্রাবন্ধিক যৌবন বলে আখ্যায়িত করেন এবং তার জয়গান করেন। কামাল, মুসোলিনি, লেনিনের শক্তিই হলো তারুণ্যের শক্তি।
উদ্দীপকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কবীরের মধ্যে ছিল তারুণ্যের শক্তি। তাই সে দেশের নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সে বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করে। সে জানে যুদ্ধে মৃত্যু অনিবার্য, তবু ভয় পায় না। যৌবনশক্তির প্রকৃত ধারক হয়ে সে দেশের বঞ্চিত মানুষদের মুক্তি ছিনিয়ে আনতে নিভীক চিত্তে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। আলোচ্য প্রবন্ধ মতেও দুরন্ত ইচ্ছাশক্তি, নিভীকতা, দুর্বার আকাঙ্ক্ষা ও সেবায় আত্মোৎসর্গই যৌবনের ধর্ম। তাই উদ্দীপকের যৌবনের প্রকৃতির সঙ্গে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

উত্তরের সারবস্তু: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুসারে উদ্দীপকের কবীর যৌবনশক্তির অধিকারী। কেননা, আলোচ্য প্রবন্ধে যৌবনের যে প্রকৃতির কথা বলা হয়েছে তার সঙ্গে কবীরের মনোভাবের সাদৃশ্য রয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()