- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- যৌবনের গান [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
কল্যাণপুর এলাকায় দিনকে দিন চাঁদাবাজদের অত্যাচার বেড়েই চলেছে। চাঁদা না পেলে তারা বাসার জিনিসপত্র লুট করে। এমনকি মারধর করে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এলাকার কিছু প্রবীণ ব্যক্তি এই অত্যাচার মানতে চান না। তাঁরা এলাকাবাসীকে বোঝান, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। তাঁদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কল্যাণপুরবাসী ঐক্যবন্ধভাবে চাঁদাবাজদের প্রতিহত করে।
কবি কেন যৌবনের পূজারি?
সমস্ত জীর্ণ-পুরোনো সংস্কারকে ধ্বংস করে মনের মতো নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হয় যৌবন। তাই কবি যৌবনের পূজারি। রৌহনের অফুরন্ত প্রাণশক্তি পৃথিবীকে, মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়।
দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্দাম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। বিপন্ন মানবতার পাশে যুবকেরা উড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। যৌবন তার স্বভাবানুসারে দেশ-জাতি-কাল ও ধর্মের বাঁধন মানে না।
সারবস্তুঃ সমস্ত জীর্ণ-পুরোনো সংস্কারকে ধ্বংস করে মনের মতো করে নতুন জগৎ সৃষ্টিতে অগ্রসর হয় যৌবন। এ কারণেই কবি যৌবনের পূজারি।

