- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- যৌবনের গান [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জাতির কল্যাণে বজলুর রশিদ সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। কাজ করতেন অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য। নিজের বলতে তাঁর কিছুই ছিল না। মানুষের দুর্দশা লাঘবই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী, তারুণ্যের গান।
উদ্দীপকে যৌবনের গান প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনধর্মের সেবাপরায়ণ মাতৃময়ী দিকটি উদ্দীপকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, যারা কর্মে ও সেবায় জাতির কল্যাণ সাধন করে, যারা মহত্ত্বের সাধনায় ব্রতী, যারা তারুণ্যের সামাজিক প্রথার শৃঙ্খল ভেঙে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে তারাই প্রকৃত যৌবনধর্মের অনুসারী। যাদের মাতৃরূপ সেবা-শুশ্রুষায় আর্তনিপীড়িত মানবের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়, ভিখারি সেজে দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য ভিক্ষা করে, দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের মনে জাগায় আশার বাণী, যৌবন তাদের পদচুম্বন করে।
উদ্দীপকের বজলুর রশিদের মাঝে এই যৌবনধর্মিতা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন জাতির কল্যাণে। তিনি সমাজের অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। নিজের সমস্ত কিছুকে সকলের মঙ্গলের সঙ্গে উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। মানুষের দুঃখকষ্ট লাঘব করার জন্য অসহায় মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যের জয়গান যেন তাঁর কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের মাতৃময়ী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, উদ্দীপকের বজলুর রশিদের মাঝে সে বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে চমৎকারভাবে।
উত্তরের সারবস্তু: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের মাতৃময়ী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, উদ্দীপকের বজলুর রশিদের ভিতরে তার প্রতিফলন ঘটেছে চমৎকারভাবে।

