• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • যৌবনের গান [গদ্য]
যৌবনের গান [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জাতির কল্যাণে বজলুর রশিদ সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। কাজ করতেন অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য। নিজের বলতে তাঁর কিছুই ছিল না। মানুষের দুর্দশা লাঘবই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী, তারুণ্যের গান।

উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? মূল্যায়ন করো।

উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সাথে আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

‘যৌবনের গান' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক যৌবনধর্মের স্তুতি করেছেন। যৌবনের সূর্য যেখানে অন্ত যায়, দুঃখের অমানিশা সেখান থেকেই উদয় হয়। তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে গিয়ে কবি বলেছেন, গতিই যাদের জীবন, মধ্যাহ্নের রৌদ্রের উত্তাপ যাদের ধর্ম, বিপুল আশা, অদম্য উৎসাহে এরা ভরপুর, ঔদার্য ও অফুরন্ত প্রাণশক্তি ও অটল সাধনায় যারা ব্রতী, যারা মাতৃরূপেরও অধিকারী- তারাই প্রকৃত তরুণ। একই সাথে এরূণ্যের দুটি দিক মাতৃময়ী ও অপ্রতিরোধ্য শক্তির দিক প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে।
দ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, সেবাপরায়ণ এক প্রাণচঞ্চল চরিত্র বজলুর রশিদ। যিনি অনাথ ও অসহায়ের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ রেছেন। তিনি মানুষকে দুঃযাহসী তারুণ্যের গান শুনিয়ে তাদের আলোকিত করার চেষ্টা করেন।
মালের অসহায়ের সহায়রূপে উদ্দীপকের বজলুর রশিদ নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি হতাশাগ্রস্তের মনে আশার বাণী জাগিয়েছেন। যৗবনের গান' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক এরূপ যৌবনের স্তুতি করেছেন। তবে যৌবনের সেবাপরায়ণ দিকটি ছাড়াও অপ্রতিরোধ্য শক্তির একটি দিক য়েছে যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের মাতৃময়ী রূপের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

সারবস্তুঃ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের যেসব বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন উদ্দীপকে বজলুর শিদের মধ্যে তার চমৎকার প্রতিফলন ঘটেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()