- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ঋতু বর্ণন [কবিতা]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
'আরমিছে শীতকাল, পড়িছে নীহার-জাল,
শীর্ণ বৃক্ষশাখা যত ফুলপত্রহীন;
মৃতপ্রায় পৃথিবীর মুখের উপরে
বিষাদে প্রকৃতিমাতা শুভ্র বাম্পজালে গাঁথা
কুজ্বটি-বসনখানি দেছেন টানিয়া;
পশ্চিমে গিয়েছে রবি, স্তব্ধ সন্ধ্যাবেলা,
উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে 'ঝতু বর্ণন' কবিতায় বর্ণিত শীত ঋতুর সাদৃশ্য রয়েছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর রূপবৈচিত্র্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। ষড়ঋতুতে প্রকৃতি নানা রূপে সেজে ওঠে। কবিতায় অন্যান্য ঋতুর পাশাপাশি শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্যও রূপায়িত হয়েছে। শীতকালে সূর্য যেন লুকিয়ে থাকে। শীতের কুয়াশায় বা মেঘে সূর্য ঢাকা পড়ে থাকে। রাতের বেলা সুখী দম্পতির চিত্তসুখের বর্ণনা, শীতের দীর্ঘ রজনী ইত্যাদির কথা বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে শীতের আগমনে গাছে ফুল-পাতার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়। এ সময় প্রকৃতি যেন মৃতপ্রায়। কুয়াশার সাদা বাম্পজালে প্রকৃতি আবদ্ধ থাকে। এই ঋতুতে সূর্য দ্রুত অস্ত গিয়ে রাতকে দীর্ঘ করে। 'ঋতু বর্ণন' কবিতায়ও শীত ঋতুর এরূপ বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। ফলে উদ্দীপক ও 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় যে সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা হলো শীতের বর্ণনা।
উত্তরের সারবস্তু: শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য চিত্রণের দিক থেকে উদ্দীপক ও 'ঋতু বর্ণন' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

