• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ঋতু বর্ণন [কবিতা]
ঋতু বর্ণন [কবিতা]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

নীল নবঘনে আষাঢ়ণগনে/ তিল ঠাঁই আর নাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাসনে ঘরের/ বাহিরে।
বাদলের ধারা করে ঝরঝর,/ আউষের খেত জলে ভর-ভর,
কালিমাখা মেঘে ওপারে আঁধার/ ঘনিয়েছে, দেখ চাহি রে।
শোনো শোনো পারে যাবে ব'লে/ কে ডাকিছে বুঝি মাঝি রে?
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।
পুবে হাওয়া বয়, কূলে নেই কেউ/ দু'কূল বাহিয়া উঠে পড়ে ঢেউ..
দর-দর বেগে জলে পড়ি জল/ ছলছল উঠে বাজি রে।
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে/ আজি রে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার কোন বিশেষ দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বর্ষাকালের সৌন্দর্যের দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে।

'ঋতু বর্ণন' কবিতায় কবি বর্ষাকালের যে অপরূপ সৌন্দর্য তা বর্ণনা করেন। বর্ষার মেঘের গর্জন প্রকৃতিতে কোলাহল সৃষ্টি করে। বর্ষার মেঘ প্রকৃতিকে অপরূপ সাজে সাজিয়ে তোলে। মেঘ প্রকৃতিতে স্নিগ্ধ, শান্ত ও মনোরম পরিবেশ তৈরি করে। মেঘের ঘন গর্জন বৃষ্টিকে প্রকৃতিতে আগমন জানায়। অবিরল ধারায় ঝরতে থাকে বৃষ্টি। বৃষ্টির পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায় নদী-খাল-পুকুর। চারদিকে পানি থই থই করতে থাকে। নির্ভয়ে বৃষ্টি প্রকৃতিকে ঐশ্বর্যময় করে তোলার প্রয়াস পায়।

উদ্দীপকের কবিতাংশে আষাঢ় মাসের সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়েছে। বৃষ্টির অবিরল জলধারায় আউশ ধানের খেত ভরে যায়। মেঘ কিছু সময়ের জন্য প্রকৃতিকে অন্ধকার করে তোলে। বৃষ্টির পানিতে পরিপূর্ণ হয়েছে নদ-নদী। নদীর জলরাশি ও মেঘের গর্জন উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বর্ষাকালের মনোরম বর্ণনার দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে।

উত্তরের সারবস্তু: বর্ষাকালের সৌন্দর্য বর্ণনার দিক থেকে উদ্দীপকের কবিতাংশ এবং 'ঋতু বর্ণন' কবিতার মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()