- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ঋতু বর্ণন [কবিতা]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
আজ এই সব শীতের রাতে আমার হৃদয়ে মৃত্যু আসে;
বাইরে হয়তো শিশির ঝরছে, কিংবা পাতা,
কিংবা প্যাঁচার গান; সেও শিশিরের মতো, হলুদ পাতার মতো।
উদ্দীপকের সাথে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শীত ঋতুর বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
উদ্দীপকের সাথে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শীতের আনন্দের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় দেখা যায়, কবি শীতের আগমনকে সুখকর বলে প্রকাশ করেছেন। শীতের ভয়ে তীব্র সূর্যও যেন দ্রুত 'অন্তে চলে যায়। প্রকৃতিতে পুষ্পশোভার পরিবর্তে এক বিচিত্র পরিবেশ তৈরি হয়। এ সময় বিভিন্ন সুগন্ধী, আলতা ব্যবহারের মাধ্যমে দম্পতির ভাবনায় সুখানুভূতি জাগ্রত হয়। এভাবে শীতের সাথে মানবপ্রেমের সম্পর্ককে জাগ্রত করেছেন কবি।
উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, শীতের রাতে কবির হৃদয়ে মৃত্যু আসে। যদিও বাইরের প্রকৃতি মনোমুগ্ধকর থাকে। বাইরে যদিও শিশির পড়তে থাকে, প্যাঁচার গান শুনতে পাওয়া যায়। শীতের এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যও কবির মনে অনুভবের জগত তৈরি করতে পারেনি। অন্য ঋতুতে কবির হৃদয়ে আনন্দের জোয়ার বইলেও শীত এলে কবির হৃদয়ে মৃত্যু আসে। কিন্তু 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় কবি শীতকালে সুখী দম্পতির দারুণ অনুভূতির কথা বলেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাংশটি 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় শীতকালে যে মানবমনে প্রেমের সৃষ্টি করে তার বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
উত্তরের সারবস্তু: শীতকালের সুখকর অনুভূতির দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

