• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ঋতু বর্ণন [কবিতা]
ঋতু বর্ণন [কবিতা]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রাশেদ শহরে থাকে। শহরে বড়ো বড়ো দালানকোঠার কারণে আকাশ দেখা যায় না। ছুটিতে গ্রামে গিয়ে এবার সে দেখে আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। মাঝেমধ্যে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে যাচ্ছে। রাশেদ অবাক হয়ে আকাশ দেখে। ভাবে' এত সুন্দর শূদ্র নীলাকাশ শহরে থাকলে দেখার সৌভাগ্য হতো না।

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার যে দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শরৎকালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্য এবং মানবমনে এর প্রভাব বর্ণনা করা হয়েছে। এই ষড়ঋতুর একটি হলো শরৎকাল। বর্ষার ঘন কালো মেঘ সরে গিয়ে শরতের আগমনে আকাশ হয়ে ওঠে নির্মল। আকাশে ভেসে বেড়ায় শুভ্র মেঘের ভেলা। এসময় ফুলে চামর দোলা লাগে এবং খঞ্জনা নেচে ওঠে আপন ছন্দে।

উদ্দীপকে শরৎকালের প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে রাশেদ শহরে বাস করে। তাই সে সচরাচর ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে না। কিন্তু ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে গিয়ে সে শরৎকালের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপমাধুর্যে সে বিমোহিত হয়। অর্থাৎ, 'ঋতু বর্ণন' কবিতার মতো উদ্দীপকেও শরৎকালে প্রকৃতির চিরচেনা রূপ এবং মানুষের হৃদয়ে এই রূপের প্রতি সৃষ্ট গভীর আবেগের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তরের সারবস্তু; উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শরৎ ঋতুর সৌন্দর্য এবং এর প্রতি মানবমনের সংবেদনশীলতার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()