- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৯.১০.২০১৬ (মুক্তিযোদ্ধা কোটা)
- প্রাথমিক শিক্ষক ২০১৬
- সাধারণ জ্ঞান
মাইক্রোনেশিয়া এর অবস্থান হলো-
মাইক্রোনেশিয়া (Micronesia) হলো ওশেনিয়া মহাদেশের একটি উপ-অঞ্চল। এটি হাজার হাজার ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত। মানচিত্র লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর ও পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে এটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং ইন্দোনেশিয়ার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করে। প্রশান্ত মহাসাগরের এই বিশাল এলাকাটি মূলত 'পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল' হিসেবেই পরিচিত।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে: এই অঞ্চলে মূলত তুরস্ক বা ককেশাস অঞ্চল অবস্থিত। এখানে কোনো মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই।
- আটলান্টিকের পূর্বে: আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত। মাইক্রোনেশিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মহাসাগরে (প্রশান্ত মহাসাগর) অবস্থিত।
- এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝে: এই অঞ্চলে লোহিত সাগর এবং আরব সাগর অবস্থিত। এটি মরুভূমি প্রধান অঞ্চল, যেখানে মাইক্রোনেশিয়ার মতো দ্বীপপুঞ্জের কোনো অবস্থান নেই।
ভৌগোলিক নিয়ম ও অতিরিক্ত তথ্য
ওশেনিয়া অঞ্চলকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়:
১. মাইক্রোনেশিয়া (Micronesia): গ্রিক শব্দ 'Micros' (ক্ষুদ্র) এবং 'Nesos' (দ্বীপ) থেকে এর নাম এসেছে। অর্থাৎ, ছোট ছোট দ্বীপের দেশ।
২. মেলানেশিয়া (Melanesia): 'Melas' অর্থ কালো। এখানকার আদিবাসীদের ত্বকের রঙের কারণে এই নাম।
৩. পলিনেশিয়া (Polynesia): 'Poly' অর্থ অনেক। এখানে দ্বীপের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
অতিরিক্ত তথ্য (Value Addition):
মাইক্রোনেশিয়া কোনো একক দেশ নয়, বরং এটি একটি অঞ্চল যেখানে অনেকগুলো স্বাধীন রাষ্ট্র ও অঞ্চল রয়েছে (যেমন: মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, কিরিবাতি)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে 'পার্ল হারবার' আক্রমণের পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের অনেক বড় বড় লড়াই এই মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলেই হয়েছিল। এখানকার দ্বীপগুলো মূলত প্রবাল (Coral) এবং আগ্নেয়গিরির লাভা দিয়ে গঠিত।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

