- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেড এ্যাপ্রোন্টিস পদের প্রশ্ন সমাধান [২৪.০১.২০২৬]
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬
- বিজ্ঞান
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল -
ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন এবং অ্যামোনিয়া ব্যবহৃত হয়। এখানে যে অপশনগুলোেআছে তার মধ্যে ইউরিয়া উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি মিথেন গ্যাস থেকে শুরু হয়ে অ্যামোনিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের সার কারখানাগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন ব্যবহার করেই ইউরিয়া তৈরি করা হয়।
প্রক্রিয়াটি বুঝতে হলে এর রসায়ন কিছুটা জেনে নেওয়া ভালো। প্রথমে প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন থেকে হাইড্রোজেন আলাদা করা হয়। এরপর বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন নিয়ে এই হাইড্রোজেনের সাথে উচ্চ চাপে এবং তাপে বিক্রিয়া ঘটিয়ে অ্যামোনিয়া (NH3) উৎপাদন করা হয়। এই অ্যামোনিয়া সরাসরি ইউরিয়া তৈরির মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করে। চূড়ান্ত পর্যায়ে অ্যামোনিয়ার সাথে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস যুক্ত করে দানাদার ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।
ক্লিংকার মূলত সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল এবং অপরিশোধিত তৈল জ্বালানি বা অন্যান্য রাসায়নিক কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই ইউরিয়া তৈরির ক্ষেত্রে এই দুটির কোনো ভূমিকা নেই। সহজভাবে বললে মিথেন হলো প্রাথমিক উৎস যা থেকে পর্যায়ক্রমে অ্যামোনিয়া এবং শেষে ইউরিয়া পাওয়া যায়। তবে সার কারখানায় সরাসরি ইনপুট হিসেবে আমরা মিথেন গ্যাসকেই প্রধান কাঁচামাল হিসেবে চিনি। কারণ মিথেন না থাকলে অ্যামোনিয়া বা হাইড্রোজেন কোনোটিই সাশ্রয়ীভাবে পাওয়া সম্ভব হতো না।
ইউরিয়া সারের রাসায়নিক সংকেত হলো H2NCONH2। এখানে থাকা কার্বন, নাইট্রোজেন এবং হাইড্রোজেন মূলত বাতাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস থেকেই আসে। তাই কৃষিক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই সারের উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকা একটি দেশের জন্য বড় শক্তি।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

