- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- যৌবনের গান [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
'দুরন্ত পথিক চলিয়াছিল, সেই মুক্ত দেশের উদবোধন বাঁশির সুর ধরিয়া।... এইবার তাহার পণের বিভীষিকা জুলুম আরম্ভ করিল। পথিক দেখিল, ওই পথ বাহিয়া যাওয়ার এক-আধটি অস্ফুট পদচিহ্ন এখনও যেন জাগিয়া রহিয়াছে। পথের বিভীষিকা তাহাদেরই মাথার খুলি এই নূতন পথিকের সামনে ফেলিয়া দিয়া বলিল, এই দেখ এদের পরিণাম। সেই খুলি মাথায় করিয়া নূতন পথিক আর্তনাদ করিয়া উঠিল, আজ, এরাই তো আমায় ডাক দিয়েছে। আমি এমনি পরিণাম চাই। আমার মৃত্যুতেই তো আমার শেষ নয়, আমার পশ্চাতে ওই যে তরুণ যাত্রীর দল, ওদের মাঝেই আমি বেঁচে থাকব। বিভীষিকা বলিল, 'তুমি কে?' পথিক হাসিয়া বলিল, 'আমি চিরন্তন মুস্তিকামী।'
লেখক কীভাবে যৌবনের মাতৃরূপ প্রত্যক্ষ করেছেন?
যৌবনশক্তির অধিকারী তরুণেরা যখন মায়ের মতো দুর্গতদের সেবাযত্ন করে, তখন প্রাবন্ধিক তাদের ভিতর যৌবনের মাতৃরূপ প্রত্যক্ষ করেন।
যৌবনের অধিকারী তরুণেরা যখন মায়ের মতো সেবার মাধ্যমে মানবতার কল্যাণ সাধন করে, তখন তাদের সে ভূমিকাকে যৌবনের মাতৃরূপ বলে অভিহিত করেন লেখক। শব বহন করে যৌবন যখন শাশানঘাটে, গোরস্তানে যায়, অনাহারে থেকে যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ-বন্যা-পীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যাপার্শ্বে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জেগে পরিচর্যা করে, যখন দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য পথে পথে গান গেয়ে অর্থ সংগ্রহ করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হয়ে দাঁড়ায়- তখনই সে যৌবনের মাঝে মাতৃরূপ উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।
উত্তরের সারবস্তু: যৌবনের অধিকারী তরুণেরা যখন মায়ের মতো সেবার মাধ্যমে মানবতার কল্যাণ সাধন করে তখন প্রাবন্ধিক তার ভিতরে যৌবনের মাতৃরূপ প্রত্যক্ষ করেন।

