- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- যৌবনের গান [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
চারদিকে যুদ্ধের ডামাডোল। কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। বাড়িতে একদিন একটি চিঠি এলো। চিঠিতে লেখা ছিল, 'দেশের বঞ্চিত মানুষের জন্য মুক্তির লড়াই শুরু হয়েছে, এ লড়াইয়ের আরেক নাম মৃত্যুঞ্জয়ী লড়াই। সে লড়াইয়ে যোগ দিতে যাচ্ছি। আমি বিজয় আর মুক্তি নিয়েই ফিরে আসব।'
'কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
কবির বক্তৃতাশক্তি সহজাত নয়, তাঁদের কণ্ঠে বাণী ক্ষীণ ঝরনাধারার মতো বয়ে চলে।
কাজী নজরুল ইসলামের মতে, মুসলিম তরুণদের আশা- কবি দিগবিজয়ী বাগ্মীর মতো অনর্গল বক্তৃতা দিয়ে সকলকে মুগ্ধ করে দেবেন। কিন্তু মঞ্চে দাঁড়িয়ে কবি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানান যে, তিনি পেশাদার বক্তা নন। যাঁরা খ্যাতনামা বস্তা, রাজনীতিক- তাঁদের মুখে ছোটে কথার ফুলঝুরি। তাঁদের সেই অসাধারণ বাগ্মিতায় কবি বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়েন। তাঁদের মতো বক্তব্য তিনি দিতে পারেন না। কারণ কবিদের বক্তৃতাশক্তি সহজাত নয়, তাঁদের কন্ঠে মৃদু ভাষা ধ্বনিত হয়।
উত্তরের সারবস্তু: যাঁরা খ্যাতনামা বস্তা, রাজনীতিক- তাঁদের মুখে কথার ফুলঝুরি ছোটে। কিন্তু কবির বক্তৃতাশক্তি সহজাত নয়; তাঁদের কণ্ঠে বাণী ক্ষীণ ঝরনাধারার মতো বয়ে চলে।

