- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- যৌবনের গান [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ হয় ন্যায়-অন্যায় নিয়ে। অন্যায়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য যৌবন ক্ষিপ্ত সিংহের বিক্রমে রণক্ষেত্রে ছুটে যায়। প্রচণ্ড উল্লাস তার হূৎপিন্ডের রক্তে তরক্তিগত হতে থাকে। এই রক্তের উল্লাস, যৌবনের এই মরণ-ক্ষুধা মানুষের জীবনে এক পরম স্বর্গীয় দান। মানুষ কি চিরদিনই বেঁচে থাকে? কত যৌবন অকালে জীবনের সাধ-আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হতেই ব্যাধি, পীড়ায়, দুর্ঘটনায় কোথায় চলে যায়। এর চেয়ে মানব হিতে, সত্য প্রতিষ্ঠায়, ন্যায়-যুদ্ধে গৌরবে মৃত্যুবরণ করাই তো ভালো। যারা মৃত্যুকে ভয় করে তারাই হয়তো বেশি মরে।
'যৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাই।'- কেন?
প্রাবন্ধিক কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমৃত্যু যৌবনকে খুঁজে বেড়িয়েছেন। তাই যৌবনের সীমা পরিক্রমণ তাঁর শেষ হয়নি।
কবি যৌবনের পূজারি, তাঁর মুখে যৌবন সদা উন্মত্ত। বনের পাখি যেমন আপন মনের আনন্দে গান করে, তেমনই কবিও নবসৃষ্টির আনন্দে নতুন যুগের বাণী তুলে ধরেন আপন কণ্ঠে। যৌবনের পূজারি নজরুল এ উত্তির মধ্য দিয়ে অমিত সাহস, অসীম সম্ভাবনা আর অফুরন্ত প্রাণশক্তির প্রতীক যৌবনের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছেন।
উত্তরের সারবস্তু: প্রাবন্ধিক আমৃত্যু যৌবনকে খুঁজে বেড়িয়েছেন। তাই যৌবনের সীমা পরিক্রমণ তাঁর শেষ হয়নি।

