- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৬
- বিসিএস ২০১৬
- বিজ্ঞান
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ বা শৈবালের অন্তর্ভুক্তি রাতকানা (Night Blindness) প্রতিরোধে সহায়ক।
রাতকানা মূলত ভিটামিন-এ এর ঘাটতির কারণে ঘটে। ভিটামিন-এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি, বিশেষ করে অন্ধকারে বা দুর্বল আলোতে দেখার ক্ষমতা বজায় রাখে। চোখের রেটিনায় থাকা রড সেলগুলো ভিটামিন-এ থেকে তৈরি রডপসিন প্রোটিন ব্যবহার করে আলোকে সনাক্ত করে। ভিটামিন-এ এর অভাবে রডপসিন যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না, ফলে রাতে বা অল্প আলোতে দেখার ক্ষমতা কমে যায়।
সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল (Seaweed) ভিটামিন-এ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এছাড়া সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন-ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও থাকে, যা দৃষ্টিশক্তি ও চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শৈবালেও বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা শরীরে ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত হয়। নিয়মিত এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে ভিটামিন-এ এর ঘাটতি পূরণ হয় এবং রাতকানার ঝুঁকি কমে।
উপরের অন্যান্য রোগের সাথে সামুদ্রিক মাছের সরাসরি সম্পর্ক কম:
- হাইপো-থাইরয়ডিজম: আয়োডিনের অভাবে হয়, যা সামুদ্রিক মাছে আছে তবে মূলত থাইরয়ড হরমোন নিয়ন্ত্রণের জন্য।
- এনিমিয়া: আয়রন বা ভিটামিন-ব ১২ এর অভাবে হয়।
- কোয়াশিয়রকর: প্রোটিন বা ক্যালোরি অভাবজনিত রোগ।
সুতরাং রাতকানা প্রতিরোধের জন্য সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল খাদ্য তালিকায় রাখা বিশেষভাবে কার্যকর।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

