- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৩
- বিসিএস ২০১৩
- বাংলাদেশ
ম্যানগ্রোভ অরণ্য
লোনা পানি বা কাদার মধ্যে জেগে থাকা খুঁটির মতো এক ধরনের শ্বাস গ্রহণকারী শিকড়বিশিষ্ট উদ্ভিদকে ম্যানগ্রোভ বলে। আর যে বনে প্রচুর পরিমাণে এ ধরনের গাছ জন্মে সে বনকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। ম্যানগ্রোভ বন বিশ্বের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উপকূলে জন্মায়। শান্ত সাগর, খাড়ি ও নদীর মোহনা এ বনের উপযুক্ত স্থান। ম্যানগ্রোভ বনে গাছপালা-লতাগুল্ম লবণাক্ত সাগরের তীরে আপনা আপনিই গড়ে ওঠে এবং গাছপালা-লতাগুল্মের রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য। গাছের বীজ থেকে প্রায় ৩০ সেন্টিমিন্টার লম্বা মূল গজায়। জলে বা ডাঙায় বীজ পড়েই মূলকে ওপর দিকে রাখে। কাদা বা মাটি পেলে মূল বীজের সহায়তায় জীবন্ত প্রাণীর মতো তা আঁকড়ে ধরে। মূল কাজ করে শ্বাসমূল হিসেবে। স্রোতে বালুকণা ভেসে যাবার সময় শ্বাসমূল বালু ও পলি জমা করে। ম্যানগ্রোভ এভাবে ভূখণ্ড তৈরি করে। গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কিছু শিকড় মাটির তলায়, কিছু ওপর দিকে থাকে। একে বলে 'শূল'। এটি খুব ধারালো। বিশ্বের সেরা প্রজাতির গাছপালাসমৃদ্ধ ম্যানগ্রোভ জঙ্গলকে বলা হয় লাল ম্যানগ্রোভ(Rhitophoramangle) । এ বন রয়েছে ফ্লোরিডা থেকে শুরু করে দক্ষিণ আমেরিকা ও পশ্চিম আফ্রিকা উপকূলে। এ বনে গুল্ম ও ফার্ন জাতীয় ছোট গাছ জন্মে। কিছু প্রজাতির গাছ ২৫ মিটার লম্বা হয়। গাছের বাকলে ট্যানিক এসিড থাকে। এটি চামড়া ট্যান করতে ব্যবহৃত হয়। সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

