- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেড এ্যাপ্রোন্টিস পদের প্রশ্ন সমাধান [২৪.০১.২০২৬]
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬
- সাধারণ জ্ঞান
ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
সঠিক উত্তর হলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, যা বর্তমানে ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন’ নামে পরিচিত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
১৯৭৩ সালে একটি প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি গঠিত হলেও বর্তমানে এটি ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন আইন, ২০২০’ দ্বারা পরিচালিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ হলো দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া। যখন কোনো পণ্য আমদানির ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, তখন এই কমিশন বিষয়টি যাচাই করে দেখে। তারা সরকারকে ট্যারিফ বা শুল্ক কাঠামো নির্ধারণে সহায়তা করে যাতে স্থানীয় উদ্যোক্তারা বিদেশি পণ্যের অসম প্রতিযোগিতার মুখে না পড়েন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে এই কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম মেনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করার সময় কমিশন সরকারকে কৌশলগত তথ্য দিয়ে সাহায্য করে। তারা অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বা কাউন্টারভেইলিং শুল্ক আরোপের মতো বিষয়েও সুপারিশ দেয়। সহজ কথায়, দেশের বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখা এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হয়ে পর্দার আড়ালে বড় ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বা আমদানি নীতি নিয়ে বিশ্লেষণ করেন, তবে দেখবেন ট্যারিফ কমিশনের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই অনেক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

