- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেড এ্যাপ্রোন্টিস পদের প্রশ্ন সমাধান [২৪.০১.২০২৬]
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬
- বাংলা
'শাহনামা' বাংলায় অনুবাদ করেন-
পারস্যের কবি ফেরদৌসীর মহাকাব্য 'শাহনামা' বিশ্বসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ইরানের ইতিহাস এবং বীরত্বের কাহিনী নিয়ে রচিত এই বিশাল গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করার ক্ষেত্রে কবি মোজাম্মেল হক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এটি মূলত একটি পদ্য অনুবাদ ছিল। তার এই অনুবাদটি বাংলা সাহিত্যে পারস্যের বীরত্বগাথা পরিচিত করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
মোজাম্মেল হক যখন 'শাহনামা' অনুবাদ করেন, তখন তার মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ বাঙালি পাঠকদের কাছে এই মহাকাব্যের আবেদন পৌঁছে দেওয়া। তিনি অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় এবং কাব্যিক ঢঙে মূল কাহিনীর মূলভাব বজায় রেখেছিলেন। তার এই অনুবাদের কারণে তৎকালীন মুসলিম সাহিত্য সমাজে সোররাব-রুস্তমের মতো বীরদের কাহিনী ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এটি কেবল একটি অনুবাদ ছিল না, বরং বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করার একটি মহৎ প্রচেষ্টা ছিল।
আপনি যে তালিকাটি দিয়েছেন সেখানে অন্য নামগুলো থাকলেও মূলত মোজাম্মেল হকই এই অনুবাদের জন্য বিশেষভাবে স্বীকৃত। এয়াকুব আলী চৌধুরী বা সৈয়দ এমদাদ আলীর মতো লেখকরা সমসাময়িক হলেও তাদের সাহিত্যকর্মের ধারা ছিল ভিন্ন। এয়াকুব আলী চৌধুরী মূলত তার গদ্য ও প্রবন্ধের জন্য পরিচিত ছিলেন। অন্যদিকে কাজী ইমদাদুল হক তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘আবদুল্লাহ’র জন্য অমর হয়ে আছেন।
সুতরাং শাহনামার সফল বাংলা অনুবাদক হিসেবে মোজাম্মেল হকের নামই সর্বাগ্রে চলে আসে। তার করা এই অনুবাদের মাধ্যমেই বাঙালি মুসলমানরা তাদের শেকড় এবং পারস্যের সংস্কৃতির সাথে নতুন করে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। তার কবিতার ছন্দ এবং শব্দের গাঁথুনি মূল মহাকাব্যের গাম্ভীর্যকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

