- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেড এ্যাপ্রোন্টিস পদের প্রশ্ন সমাধান [২৪.০১.২০২৬]
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬
- বাংলা
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি কোনটি?
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হলো একাদশ।
সাধারণত সন্ধি কিছু নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে। কিন্তু বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু শব্দ আছে যা কোনো প্রচলিত নিয়ম না মেনেই সন্ধিবদ্ধ হয়। এই বিশেষ ধরনের সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। সহজভাবে বললে, এগুলো ব্যাকরণের নিয়মের তোয়াক্কা করে না, বরং ভাষার ব্যবহারের কারণে ঐতিহাসিকভাবে সিদ্ধ হয়ে গেছে।
একাদশ শব্দটির ব্যাখ্যা একাদশ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘এক + দশ’ এই দুটি শব্দের মিলনে। সাধারণ নিয়মানুযায়ী এখানে ক এবং দ মিলে অন্য কোনো রূপ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটি না হয়ে সরাসরি ‘একাদশ’ হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির প্রথাগত নিয়মে এই পরিবর্তন ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয় বলেই একে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ
১. কিন্তু: এটি সাধারণ ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম মেনে চলে। কিম + তু মিলে কিন্তু হয়। এখানে ম-এর জায়গায় ন হয়েছে, যা একটি নিয়মিত সন্ধির উদাহরণ।
২. কুলটা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি। কুল + অটা মিলে কুলটা হয়। এখানে নিয়ম অনুযায়ী অ + অ মিলে আ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। তবে এটি যেহেতু স্বরবর্ণের মিলন, তাই এটি ব্যঞ্জন সন্ধি নয়।
৩. নিশ্চয়: এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। নিঃ + চয় মিলে নিশ্চয় গঠিত হয়েছে। চ বা ছ পরে থাকলে বিসর্গ এর জায়গায় শ হয়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, একাদশ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির এমন একটি রূপ যা কোনো ধরাবাঁধা নিয়মের অধীনে পড়ে না। বাংলা ব্যাকরণ শিখতে গেলে এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দগুলো মুখস্থ রাখা বেশ কার্যকর, কারণ এগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

