• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান
হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৮৮৪-১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ (Harry S. Truman 1884-1972)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে রুজভেল্ট মারা গেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। পররাষ্ট্রনীতিতে তিনি কঠোরতা অবলম্বন করলেও অভ্যন্তরীণ নীতিতে তিনি সহনশীল ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে তিনি মিত্রশক্তির হয়ে ফ্রান্সে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ-পরবর্তীকালে দেশে ফিরে ব্যবসা করেন। ধীরে ধীরে ডেমোক্রেটিক পার্টির সক্রিয় সদস্য ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাস পরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জার্মানি ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৯ই মে মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বযুদ্ধে জাপানের মানসিকতা দেখে মনে হচ্ছিল যুদ্ধ বন্ধ হতে আরও এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। যুদ্ধ দ্রুত অবসানের লক্ষ্যে ট্রুম্যান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আণবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দেন।

তার এ নির্দেশের ফলাফল মানব ইতিহাসে ভয়াবহ ছিল। তিনি যুদ্ধোত্তর আমেরিকান অর্থনৈতিক বিন্যাসে সক্ষম হন। স্নায়ুযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক মতবাদ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে পরিচালিত কোরিয়া যুদ্ধে হস্তক্ষেপ, মার্শাল পরিকল্পনার উদ্ভাবন, ট্রুম্যান নীতি কার্যকর ও NATO গঠনের জন্য তিনি বিখ্যাত। কোরিয়া যুদ্ধে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা না করতে পারলেও তার সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি উচ্চপর্যায়ে ছিল।

পূর্ববর্তী

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ