• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান
হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

জাপানের আত্মসমর্পণ (হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমাবর্ষণ)

জার্মানির পতনের পরও জাপান যুদ্ধ অব্যাহত রাখে। জাপান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইউরোপীয় শক্তিসমূহের উপনিবেশগুলো দখল করে এক রিশাল সাম্রাজ্যের মালিক বনে যায়। তারা মিত্রবাহিনীর কাছে বিভিন্ন যুদ্ধে পরাজিত হলেও অত্যন্ত দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সাথে মিত্রবাহিনীকে প্রতিহত করে চলছিল। মিত্রবাহিনী রক্তক্ষয় এড়ানোর জন্য জাপানকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিলেও জাপান তা অগ্রাহ্য করতে থাকে। অবশেষে মিত্রপক্ষের অন্যতম শক্তি আমেরিকা ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে এবং ৯ই আগস্ট নাগাসাকি শহরে আণবিক বোমা নিক্ষেপ করে। শক্তিশালী আণবিক বোমার প্রচণ্ড বিস্ফোরণে এ দুটি শহর সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শহর দুটিতে লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষের মৃত্যু হয়, অগণিত লোক পঙ্গু হয়ে যায় আণবিক বোমার প্রতিক্রিয়ায়। নারী-পুরুষ-শিশু-নির্বিশেষ সকলেই এ বোমার নির্মম আঘাতের শিকার হয়। জাপান এ বিভীষিকা থেকে বাঁচতে বিনাশর্তে মিত্রশক্তির প্রধান সেনাপতি ম্যাক আর্থারের নিকট আত্মসমর্পণ করে। জাপানের সেনাপতি উমেজুর ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২রা সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান ঘটে।

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ