• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান
হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

ইউরোপে মিত্রশক্তির দ্বিতীয় রণাঙ্গন

মিত্রশক্তির যুদ্ধকালীন কূটনীতির অংশ হিসেবে ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে স্টালিন, রুজভেল্ট ও চার্চিল তেহরানে এক সম্মেলনে মিলিত হয়ে ইউরোপে দ্বিতীয় রণাঙ্গন খোলার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য উত্তর-পশ্চিম ফ্রান্সের নরমান্ডিকে বেছে নেওয়া হয়। স্থির হয় যে, প্রথমে ৩৬ ডিভিশন সেনা অবতরণ করবে, পরে আরও ১০ ডিভিশন সেনা দক্ষিণ ফ্রান্সে নামানো হবে। দশ হাজার বিমান এতে অংশ নেবে এবং যুদ্ধজাহাজ ও পরিবহন যানের সংখ্যা হবে সাড়ে সাত হাজার। আমেরিকান, ব্রিটিশ, কানাডীয়, ওলন্দাজ, পোল, নরওয়েজীয়, ফরাসি ও গ্রিক সৈন্যদের অবতরণের দিন ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জুন স্থির হলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ৬ই জুন স্থির করা হয়। এ দিনটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে ডি-ডে বলা হয়। এই বিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিলেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার। অবতরণের দিন সন্ধ্যা থেকে মিত্রবাহিনীর এক হাজার বোমারু বিমান উপকূলবর্তী জার্মান প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলোর উপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে। সব রকম যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শেষ রাতে সেনা অবতরণ শুরু হয়। পাঁচ দিন ধরে মিত্রবাহিনীর সাথে জার্মান সৈন্যদের তুমুল যুদ্ধ হয়। মিত্রবাহিনী নরমান্ডি উপকূলের ১২৮ কি.মি. এলাকা অধিকার করে ও ৩২ কি.মি. ভেতরে প্রবেশ করে। আগস্ট মাসে ফরাসি বাহিনী টুলো বন্দরে অবতরণ করে। সেপ্টেম্বর মাসের দিকে ইউরোপে জার্মান প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। মিত্রবাহিনী দ্রুতবেগে জার্মানির দিকে অগ্রসর হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ