- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন : কোম্পানি আমল
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন : কোম্পানি আমল
১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দের সনদ আইন Charter Act of 1833 AD
১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত সনদ আইনের মেয়াদ ২০ বছর শেষ হলে লর্ড বেন্টিংক ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিকট সনদের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানান। এ সময় ব্রিটিশ জনসাধারণ ভারতীয় উপমহাদেশে কোম্পানির দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতবর্ষকে সরাসরি ব্রিটিশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সোচ্চার হয়। এ অবস্থায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সংস্কার সাধনের মাধ্যমে কোম্পানির সনদ আরও ২০ বছর বৃদ্ধি করে কোম্পানিকে সরাসরি পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণাধীন করে। এ আইন ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে পাস হয়। তাই এটি ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দের "সনদ আইন" নামে পরিচিত। এ আইনের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারসমূহ দ্বারা (১) কোম্পানির একচেটিয়া ক্ষমতা খর্ব করা হয়। (২) যেকোনো ইংরেজ এদেশে এসে বসবাস করার অধিকার পায়। (৩) গভর্নর জেনারেল অব বেঙ্গলের পরিবর্তে গভর্নর জেনারেল অব ইন্ডিয়া করা হয়। (৪) চাঁন দেশের বাণিজ্য অধিকার খর্ব করা হয়। (৫) বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতিকে ভারত বিষয়ক মন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়। (৬) ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের ভেতর মাল চলাচলের ওপর শুল্ক লোপ করা হয়। (৭) চা ও কফি উৎপাদনের জন্য চা বাগিচা স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হয়। (৮) জল সেচ ব্যবস্থার উন্নতির চেষ্টা করা হয় এবং (৯) ভারতীয় সেনাদলে বেত্রাঘাত দ্বার। দণ্ড প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

