- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম
জাতীয় স্মৃতিসৌধ কীসের প্রতীক? ব্যাখ্যা কর।
৩০ লক্ষ শহিদ এবং ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মহান স্বাধীনতা। বিশ্বের মানচিত্রে লাল সবুজের পতাকায় পরিচিত একটি রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি রাষ্ট্র, একটি পতাকা ও. বাঙালি জাতির সম্মান। তাদের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার সাভারের নবীনগরে নির্মিত করেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ৮৪ একর আয়তনের ওপর নির্মিত সৌধটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সৌধটির শুভ উদ্বোধন করেন। ৭টি ফলকে ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫০ মিটার উচ্চতার সৌধটির স্থপতি সৈয়দ মাঈনুল হোসেন। ত্রিভুজাকৃতির সৌধটি নির্মাণে কংক্রিট ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধটির ৭টি ফলকের তাৎপর্য হচ্ছে ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত যে সাতটি পর্যায় (১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর সাধারণ নির্বাচন, ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ) আন্দোলন হয়েছিল তার এক একটি আন্দোলনকে এক একটি ফলকের প্রতীক হিসেবে বুঝানো হয়েছে। অনেকে আবার ৭টি ফলককে রংধনুর সাত রং-এর সাথে তুলনা করেন। জাতীয় দিবসগুলোতে জাতীয় নেতৃবৃন্দ এই স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতীয় বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

