- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন
৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ
একটি ভাষণ বা বক্তৃতা পথহারা জাতিকে নিয়ে যেতে পারে আলোর পথে। পৌঁছে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। যে কোনো আদর্শ ও ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভাষণ বা বক্তৃতার কোনো বিকল্প নেই। ধর্ম, রাজনীতি, সমাজ সংগঠনসহ প্রতি ক্ষেত্রে সফল নেতাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে অবিস্মরণীয় এক বা একাধিক ভাষণ। কোনো কোনো ভাষণ এতটাই গতিময় যার তাৎপর্য কোনো দিন ফুরায় না, স্থায়ী আসন করে নেয় ইতিহাসের পাতায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭মার্চের ভাষণ তারই একটি। এই ভাষণ গোটা বাঙালি জাতিকে জাগ্রত করেছিল, বাহুতে শক্তি যুগিয়েছিল, স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল।
পাকিস্তানি সরকারের সীমাহীন বৈষম্য, শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) বাঙালি জাতির উদ্দেশ্যে প্রায় দশ লক্ষ লোকের এক বিশাল জনসভায় সর্বকালের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ প্রদান করেন, যা ইতিহাসে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নামে প্রসিদ্ধ। এ ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসের যেমন এক অনন্য দলিল তেমনি বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। ২ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সারা বাংলায় পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ চলছিল। তৎকালীন পাকিস্তানি জনগণই শুধু নয়, আন্তর্জাতিক বিশ্ব অধীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে ছিল, বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে কী বলেন? পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্য এ ছিল অন্তিম মুহূর্ত। অন্যদিকে স্বাধীনতার চেতনায় প্রদীপ্ত বাঙালি জাতির জন্য এ ভাষণ ছিল পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের নাগপাশ ছিন্ন করে জাতীয় মুক্তি বা কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত সংগ্রামের সূচনা।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

